হুচ্ প্রচ্ছদ

Advertisements
Posted in ছবি | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

“এয বেগে ওজে যেই ”

“এয বেগে ওজে যেই ”

“ঘরত বোই থেবার সময় নেই
হিলচাদি গাঙত হোন সুগ নেই
এয বেগে রাজপদত
যেবং আমি মিশিলত
সংগ্রাম গরি আনিবং স্বায়ত্তশাসন
ঝুরোতুরো গরি দিবং আমি শাসন
তুমি এয বেগে মিলি এয মুজুঙে ওজে যেই
ঐ অসুর’অ জাততোরে এয আমি বেগে মিলি শেষগরেই

পানছড়ি, লংগদু, মাল্যা, লোগাং, নানিয়াচর’অ গনহত্যা
মা-বোন’অ রক্তে রাঙা উইয়ে রাঙামাত্যা
বান্দরবান- হাগারাছড়িত মজ্জ্যেন হদক বাপ-ভেই
সংগ্রাম গরি স্বায়ত্ত শাসন আমি আনিবার চেই।

লারমা, কল্পনা, অমর বিকাশ, ভরদাসমনি
এয আমি বেগে গেই তারার জয়োধ্বনি
বিজগ’অ পাদাত লেগা থেব তারা নামানী
রক্ত বেগর গরম অব ভাবিলে তারা হদানী

আলুটিলা, ফুরোমোন, তাজিডং যেদকদিন থেবাক
জুম্ম-উনে যেদকদিন সংগ্রাম গরি যেবাক
চেঙেই – মেইনী- হাজলং মিলিনেই কর্নফুলি
হিল চাদিগাঙর গণহত্যা এয আমি নভুলি

চুবগরি তুমি ন’থিয়
মরনান ন, ডরেয়
সংগ্রামত যেবং এক সমারে
ওজেই যেবং জয় – জগারে ।

–তারুম চাঙমা

Posted in কবিতা | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

নিকাহ্

নিকাহ্
অদ্রি চাকমা

নিকাহ্ পূর্ববর্তী :

পরীক্ষার মধ্যিখানে মানুষের জীবনে কতকিছু ঘটতে পারে এবং ঘটেও। সুখময় অসুখময় ঘটনার মধ্যে অসুখময় ঘটনার খবরই সাধারনত বেশী পাওয়া যায়। কারো মা অথবা বাবা মারা যায় কারো ঘনিষ্ঠ আত্নীয়র বিয়ে থাকে, কারো দূর্ঘটনায় আপন কেউ মারা যায় এমনটি ঘটে শামিমের মনে হয়। তার জীবনে “বিয়ে” নামক ঘটনাটি এই পরীক্ষার মধ্যখানে হঠাৎ এসে কাকের মত কা কা করতে শুরু করলে সে আসলেই দিশা পায় না তার কি রকম অনূভূতিতে নিমজ্জিত হওয়া উচিত। আলো-দার কাছ থেকে শ্রেনী সম্পর্কে যতটুকু জেনেছে তাতে তার মনে হয়েছে সে নিম্নবিত্ত শ্রেনীর এবং এই শ্রেনীর বিয়ে নামক ঘটনাকে কেন্দ্র করে অকে রকম আকাশ-পাতাল জল্পনা-কল্পনা থাকে। তার ভিতরেও হয়ত ছিলো। কিন্তু অর্থনৈতিক চাপ অথবা নিজের মনোদৈহিক কারনেই হোক এই ঘটনাটি নিয়ে কোনো কিছু মনোকল্প তৈরির আগে অপ্রত্যাশিত ছুটির ঘন্টার মত বিয়ের ঘন্টা বেজে গেছে। এই উম্মাতাল বিয়ের ঘন্টা শামিমকে দাবড়িয়েনিয়ে সমস্ত চিন্তাই এমনভাবে প্রকপিত হয়েছে সে শুধু বিভিন্ন হিসেব নিকেশ করছে তথাপি কোনোটিই মিলাতে না পারার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। মাঝে মাঝে বন্ধুদের আড্ডায় বউয়ের ভরন পোষন নিয়ে নিজ থেকেই কথা তুলে বউয়ের স্নো পাউডার লিপস্টিকের দাম বাবার কাছে চইবে বলে হালকা রসিকতা করছে। কখনোও আবার আইনি প্রক্রিয়ায় নিজেকে দাঁড় করিয়ে তার বাবা মাকে দোষী সাব্যস্ত করে নিজে দায় মুক্ত হয়ে নিজেই নিজের কাছে খালাস হয়ে সান্তনার মুচকি হাসি হাসছে।
শামিম আদতেই বুঝতে পারছেনা সে কি করবে।

নিকাহ্ এর সময় :
বিয়েটা তার কাছে মনে হলো ছোট বেলার পুতুল খেলার মত। কিছু মুহূর্তের সম্মিলন। কাজীর অফিসে গিয়ে রেজিষ্ট্রি বইতে সই কওে “কবুল” নামক শব্দটি বায়ুতে নিঃসরন। ব্যাস এই পর্যন্তই শেষ ! না দেখে শুনেই “মমতাজ আক্তার (ইনারা)” নামক ১৩ বছরের ছোট মেয়ে তার আইন সম্মত বউ হয়ে গেলো। তার মনে সন্দেহ জেগেছিল তার মা বাবা কি তাদেও ছেলের বউকে দেখেছে ? সে-তো আর দেখতে পারলো না। হঠাৎ তার কাছে মনে হলো ৬০/৭০ দশকের কোন অতি রক্ষনশীল দুই পরিবারের দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে “নিকাহ্” নামে কিছু একপেশে সিদ্ধান্ত চাপানো হলো। সে আবার প্রচন্ড অস্বস্তি আর ঘুমোট মেঘের বানে ভাসলো। কেন যে হঠাৎই বাসায় ফিওে কোন টুকরো ভাঙ্গা মনের মানুষের মতো ৪/৫ জনের সামনে বিয়ের অপেক্ষা নিয়ে কাঁদতে বসেছিল সে জানে না, তবে তার মনে হয়েছিলো এটুকু বাদে তার কিছু করার আর ছিল না। কোন বাবা ছেলের সামনে প্রণতি নিয়ে দাঁড়ালে অথবা ছেলেকে ইমোশনাল ব ্যাকমেইলের এর মাধ্যমে কাবু করতে চাইলে খুব সহজেই সফল হয়। শামিম বুঝতে পাওে সে ঐ ক্যাটাগরির একটি ছেলে। প্রবল “হ্যা” এর সামনে দাঁড়িয়ে “না” উচ্চারন করতে সে শেখেনি।

নিকাহ্ পরবর্তী :
শামিম বিয়ে করেছে কিন্তু তার বউকে দেখেনি একথা বন্ধুদের সামনে বলতে তার অস্বস্তি অতিমাত্রায় বেড়ে যায়। সে নিজেকে লজ্জাবতীর মত গুটিয়ে নেয়। বন্ধুরা আকছার এই বিষয়টি নিয়ে গুতোগুতি করলে সে প্রাণপনে কিংকর্তব্যবিমূড়তা থেকে পালিয়ে বেড়ায়। একে তো ১৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে তার উপর না দেখে-শুনেই বিয়ে করার বিষয়টি তার বন্ধুদেও কাছে কেন তার নিজের কাছেও এই বিংশ শতাব্দীর অবাক বিষয় মনে হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার জীবনের সাথে আরেকটি লক্ষ্য যুক্ত হয় তার মধ্যে শ্বশুড়বাড়ির এবং শ্বশুড়বাড়ির সাথে বন্ধুদেও নিবিড়তার মাধ্যমে বন্ধুদেও নিত্য-নতুন উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া। শামিম স্তরে স্তরে পরিকল্পনা সাজায়। এর মধ্যে শামিম তার বউয়ের সাথে মোবাইলে কথা বলে। ছোট্ট বউটি একবার “তুমি” একবার “আপনি” সম্বোধনে বারবার হোঁচট খেল। শামিম বন্ধুদের বলে- “ছোট তো, তাই এখনো ভাঁজ কোরে কথা বলতে শেখেনি।” শ্বশুড়বাড়ি থেকে দুটি লেমিনেটেড ছবি পাঠানো হল, খুব যত্ন কওে তোলা তবে ভালো হয়নি তবুও শামিম কথা বলার মসয় ছবি দুটি সামনে রাখে। হাজার হোক বউ তো ! দূর থেকে দেখে শুনে কিছুটা তৃপ্তি-অতৃপ্তি নিয়ে বলে উঠে-
“আল্লাহ্ যা করেন ভালোর জন্যই করেন”।

Posted in প্রবন্ধ ও গল্প | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

যাপিত জীবন

যাপিত জীবন

আমরা ঠাণ্ডা তুষারপথে নাক_কান_মুখ ঢেকে হাঁটছি
পরস্পরকে দেখার ভণিতার অভিনয়ে শতবছরের
পরিচয়ের যে সূত্র তার সাথে গেরো বাঁধা আমাদের
দূর্বল আত্মা ফেলে যেতে চাইছি একে অপরকে
খবরাখবর না রাখার নিরব চুক্তি এবঙ অপ্রেমের সহবাসে ।

ফাতেমার জন্য একপাতা ফর্দ

যে অদৃশ্য সুতো তোকে ধরে টানে
সেই সুতোর একপ্রান্তে বসে আছি
গাইছি কীর্তনের এক প্যারা
একপ্রস্থ কাগজ তোর জন্য
আঁকিবুকি স্বপ্ন গড়ার জন্য
ঐ পাহাড়ের পিঠে তোর ঘর ছিল
বুনো শনে বানানো নিজের তোর
সবুজের ঘরে তোর অবাধ বিচরণ
জুমের আগুনে পোড়া তোর ত্বক
তোকে দেখলেই বুঝি-
খাগড়াছড়ি ছড়ার স্বচ্ছতার বিবরণ
জুমঘরের প্রশ্নহীন সুরক্ষা
মাটিখোড়া আলুর প্রকৃত স্বাদ
শুয়োরের চর্বির বাড়ন্তের কারণ
পাহাড়ের বুকের ফসলগুলির স্বাদুতার মন্ত্র
তোর-আমার ছায়া যেদিন মিশবে
বুঝবি ভেঙে ফেলবো একটি সকালের অলসতা

–আলোড়ন খীসা

Posted in কবিতা | ১ টি মন্তব্য

ফিরে এসো শান্তি

ফিরে এসো শান্তি

নিষিদ্ধ কালোরাত আজো চোখে ভাসে বীভৎস কালো থাবা
প্রেম পোড়া নদী ভুলে গেছে মোহনার ঠিকানা
ফিরে এসো মৃতু্যদন্ড ঝুলে আছে গাছের ডালে
অদৃশ্যের কালে নিখোজঁ হলেও পাহারায় আছেন ‘তাহারা।

ঘুমাও কান্ন অশ্রু শুকিয়ে গেছে, পার হলো আটত্রিশ বছর
আকাশের অজস্র তারা তাদের কীর্তির কথা বলে
আর কী চাও ! মধ্যরাতে গুচ্ছ গুচ্ছ ফুলের অঞ্জলি বুকের ভেতর
জন্ম হলো সর্াথক এইসব ইতিবৃত্ত জ্বলে পাতায় প্রদীপে ।

অসভ্য খুনী বাগানের সরস ফুল ছিড়ে ফেলে দিলো-সবুজ ঘাসে
কী ঘঠে যাচ্ছে কান্ড! পিতামাতাহীন শুন্যঘর
শোকের নহরে ভাসছে বৃক্ষ ,পাখী ও মানচিত্র
কালোমেঘ সরে যাও উপশম ফিরে আসুক ফিরুক শান্তি ।

ঘৃণা
ভালোবাসা মরে গেলে পড়ে থাকে ঘৃণা
আবর্জনায় নিক্ষেপ করবে প্রেমিক সুজন
ফিরে দেখবেনা কেউ কাক এস আদর করে যাবে
সময় বলে দিবে নকলসোনা নাকি খাটিসোনা।

উল্টো বিনাশে থাকে জীবন্ত অভিশাপ
বিষবৃক্ষ আধাঁরে এসে ছোবল দিলি
বিষেভরা ইলিশ বিদ্রোহের হুংকার কলম
শব্দমালা গেতে দিলাম কবিতা অঞ্জলি

–নি ল য় র ফি ক

Posted in কবিতা | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

রকমারি

রকমারি

রোদে পুড়ে খালের জলে
দ্যাখো নিজের জলদস্যুতা
ঘোলাটে স্মৃতি উঠে আসে
জালের গুটি ধরে ধরে
টাকি মাছের বমি আরো
ঘোলাটে করে খালের জল
সুপারি গাছের গোড়া ডুবে যায়
খালেরও বমি হয় রককমারি

জানালায় এসো

যদি খ্যালো করাত করাত খেলা
জানালায় টোকা দিও
মোমবাতির অন্ধকারে
অনুবাদ রসে গড়াগড়ি দিয়ে
ভেঙে যাবো কম্পাসের ব্যাকরণ
জানালায় টোকা দিও
ঠাপতালে বাজাতে পারি চঞ্চল তানপুরা

–মু্ন্না বি সন্দ্বীপি

Posted in কবিতা | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ওয়ালিদ তপু

দৃষ্টির আকাশে শরতের মেঘ

প্রেমিকারা হিল্লা দিয়েছে আমাকে
চাষের বলদ জোড়া বউয়ের
……উঠোনে
নতুন ভুল করিনা অনেকদিন
শরতের মেঘ ফিরেফিরে আসে
স্বহিংসায় পাড়ি দিব
বাকিটা সময়…………..

হাওড়ের চ্যাট

এলাচি ঋতু হয়ে গেছে
কালাকচুদের অভাবের সংসার
ষড়মনে ভিড় করেনা
বাঙলার পাঁ-চ+আ-মারে,
সভ্যতার সিঁড়ি
ফেইসবুকে দেখে নাও
…………….হাওড়ের চ্যঠঁ

Posted in কবিতা | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান